যুক্তরাজ্যে ফেরার পর প্রথমবার একসঙ্গে জনসমক্ষে হ্যারি-মেগান
ব্রিটেনের রাজপুত্র হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল আগস্টে যুক্তরাজ্যে ফেরার পর বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো একসঙ্গে জনসমক্ষে হাজির হয়েছেন। নটিংহ্যাম শহরে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। এ সময় তারা ভক্তদের সঙ্গে কথা বলেন, হাসি-ঠাট্টা করেন, সেলফি তোলেন এবং ফুল গ্রহণ করেন।
ইউরো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাসেক্সের ডিউক ও ডাচেস হিসেবে পরিচিত এই দম্পতি বৃহস্পতিবার শহরটিতে তিনটি দাতব্য সংস্থা পরিদর্শন করেন। এসব সংস্থা সংগীত, চলচ্চিত্র, খেলাধুলা এবং খাদ্যসংকট মোকাবিলার মাধ্যমে তরুণ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করে।
ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের ছোট ছেলে হ্যারির বয়স ৪২ বছর এবং মেগানের বয়স ৪৫ বছর। ২০২০ সালে রাজপরিবারের সঙ্গে তিক্ত বিরোধের মধ্যে তারা যুক্তরাজ্য ছেড়ে রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস শুরু করেন তারা।
ছয় বছর পর গত আগস্টে দুই সন্তান আর্চি ও লিলিবেটকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরে আসেন এই দম্পতি। তাদের সন্তানদের বয়স যথাক্রমে সাত ও পাঁচ বছর।
তবে হ্যারি-মেগানের সাম্প্রতিক এই সফর বাকিংহাম প্যালেসের অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হচ্ছে। গত মাসে প্রকাশিত এক চিঠিতে রাজা তৃতীয় চার্লস স্পষ্ট করেছিলেন, জনপরিসরে তাদের অবস্থান সাধারণ ব্যক্তির মতো। তাদের রাজকীয় উচ্চমর্যাদাসূচক ‘হিজ রয়্যাল হাইনেস’ ও ‘হার রয়্যাল হাইনেস’ সম্বোধনও করা উচিত নয় বলে জানানো হয়েছিল।
রাজপরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে বড় ধরনের বিরোধের পরও হ্যারি ও মেগান রাজার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করেছেন। তবে হ্যারির বড় ভাই এবং সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে তাদের দূরত্ব এখনো রয়ে গেছে।
নটিংহ্যামে বৃহস্পতিবারের এই সফরে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে দম্পতির সরাসরি যোগাযোগ এবং দাতব্য কার্যক্রমে অংশগ্রহণই ছিল মূল আকর্ষণ।
সূত্র: ইউরো নিউজ

